ইরানের যে ড্রোন সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরান নিচু আকাশ ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য চ্যালেঞ্জ করছে
আন্তর্জাতিক

ইরান নিচু আকাশ ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য চ্যালেঞ্জ করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ২৬ মার্চ ২০২৬

নিম্ন-উচ্চতার হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট বিনিয়োগ না করায় ইরান সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, ইরানের নিচু আকাশ ব্যবহার করে পরিচালিত ড্রোন ও ব্যালিস্টিক হামলা যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য রুখে দিচ্ছে।

“ইরান জানে তারা সরাসরি আকাশযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের সমকক্ষ নয়, বরং ভিন্ন পথে ‘বিঘ্ন সৃষ্টিকারী যুদ্ধ’ চালাচ্ছে।” – কেলি গ্রিকো, স্টিমসন সেন্টার

নিম্ন-উচ্চতার হুমকি

মঙ্গলবার ‘মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউট’ আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল প্যানেল আলোচনায় কেলি গ্রিকো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যেখানে ভালো করার কথা, তারা সেই জায়গায় সফল হলেও নিচু আকাশে হুমকির মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ইরান শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে উপসাগরীয় দেশগুলোর ব্যাপক ক্ষতি ও ভোগান্তি তৈরি করছে। ড্রোনগুলো খরচে কম হলেও তাদের মোকাবিলায় লক্ষাধিক ডলার খরচ করতে হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে কয়েক ঘণ্টা পরই সাংবাদিকদের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান তাদের সব সক্ষমতা হারিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা এখন তেহরানের আকাশে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছি।”

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও এটিকে ‘ইতিহাসে নাম লেখানোর মতো বিজয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইরানের কৌশল

কেলি গ্রিকো আরও ব্যাখ্যা করেছেন, ইরান সরাসরি আকাশযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে না। বরং নিচু আকাশ ব্যবহার করে ‘ওয়ার অব ডিসরাপশন’ চালাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করেছিল, তাই নিচু আকাশের ড্রোন শনাক্ত করতে তাদের ভিন্ন ধরনের সেন্সর ও রাডার দরকার।

Next News Previous News