আজ কানাডায় বিশ্বকাপের দ্বিতীয় উদ্বোধনী মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশের সঞ্জয়

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মাতাতে যাচ্ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ডিজে ও মিউজিক প্রডিউসার সঞ্জয়। কানাডার টরন্টোতে অনুষ্ঠিতব্য জমকালো এই আয়োজনে বিশ্বের বড় বড় সংগীত তারকার সঙ্গে একই মঞ্চে পারফর্ম করবেন তিনি।

ফিফার মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব

ফিফার ঘোষণায় জানানো হয়েছে, কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান পপ তারকা মাইকেল বুবলে ও অ্যালানিস মরিসেটের মতো আন্তর্জাতিক শিল্পীদের সঙ্গে পারফর্ম করবেন সঞ্জয়।

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে বাংলাদেশের শেকড়ের একজন শিল্পীর অংশগ্রহণ দেশের সংগীতপ্রেমীদের মধ্যেও তৈরি করেছে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি।

টরন্টোতে ৯০ মিনিটের বিশেষ আয়োজন

মেক্সিকো সিটিতে প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হওয়ার পর বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আয়োজন হবে কানাডার টরন্টোতে। শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে টরন্টো স্টেডিয়ামে শুরু হবে ৯০ মিনিটের এই বিশেষ অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানের পর বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক কানাডা বসনিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে। উদ্বোধনী আয়োজনের মাধ্যমে কানাডার সংস্কৃতি, বৈচিত্র্য ও বহুজাতিক পরিচয় তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সঞ্জয়ের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক মঞ্চে পারফর্ম করার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সঞ্জয়। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, ঘরে বসে সংগীত তৈরি করা থেকে শুরু করে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজনের মঞ্চে পৌঁছানোর যাত্রা তার জন্য বিশেষ অনুভূতির।

তিনি আরও জানান, এই মঞ্চে নিজের শেকড় ও পরিচয় তুলে ধরতে পারা তার জন্য গর্বের বিষয়।

থাকছেন আরও বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা

দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্জয়ের পাশাপাশি পারফর্ম করবেন নোরা ফাতেহি, মাইকেল বুবলে, জেসি রেয়েজ, অ্যালানিস মরিসেট, অ্যালেসিয়া কারা এবং এলিয়ানার মতো শিল্পীরা।

ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি সংগীতপ্রেমীদের কাছেও এবারের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আয়োজন আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে।

তিন শহরে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আয়োজন

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করা হচ্ছে তিনটি দেশ—মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে। তাই এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও তিনটি শহরে আলাদাভাবে আয়োজন করা হচ্ছে।

মেক্সিকো সিটি, টরন্টো ও লস অ্যাঞ্জেলেসের আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবল, সংগীত ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

Source attribution: Source: Based on reporting from FIFA announcement and international entertainment reports

Next News Previous News