বগুড়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ভিডিও ভাইরাল
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মহাসড়কের পাশে মিছিলের অভিযোগ
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ইটালী এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের পাশে ওই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক মিনিটের ওই কর্মসূচির ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তিকে ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মিছিল করতে দেখা যায়। মিছিলকারীদের মুখে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান শোনা গেছে বলে স্থানীয়রা জানান।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমানের ছেলে ও ধুনট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবাল সনির সমর্থনে মিছিলের দাবি করা হয়েছে।
ভিডিওতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শেরপুর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি গালিব সরকারের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করা হয়। তবে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের বক্তব্য
স্থানীয় কয়েকজন জানান, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে একদল যুবক ইটালী বাজার এলাকায় এসে হঠাৎ মিছিল শুরু করেন। অল্প সময় পর তারা আবার অটোরিকশায় করে সেখান থেকে চলে যান।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি আকস্মিক হওয়ায় অনেকেই বিষয়টি ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশের বক্তব্য
শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেন, এ ধরনের মিছিলের বিষয়ে থানায় আগে থেকে কোনো তথ্য ছিল না। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযান চলমান রয়েছে।
তিনি জানান, কোনো ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নজরদারি
রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওসহ ঘটনার বিভিন্ন দিক যাচাই করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
Source attribution: Source: Based on reporting from সারাবাংলা
