যেখানে হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা

শান্তি আলোচনার সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে ইসলামাবাদের প্রস্তাব

ঢাকা, ২৪ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (২৩ মার্চ) জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। যদিও ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বৈঠক বা সংলাপের কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

লোকচক্ষুর অন্তরালে এই সংঘাত বন্ধে বিভিন্ন দেশ, যেমন তুরস্ক, রাশিয়া ও পাকিস্তান নানাভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষভাবে পাকিস্তান শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েছে। ইসলামাবাদ তাদের সেনাপ্রধানের সঙ্গে তেহরানের সুসম্পর্ক এবং ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাকে কাজে লাগাচ্ছে।

পাকিস্তান চলতি সপ্তাহেই ট্রাম্প প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনার সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে ইসলামাবাদের নাম প্রস্তাব করেছে।

ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, “গত কয়েক দিনে কিছু বন্ধুরাষ্ট্রের মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ সম্বলিত বার্তা পাওয়া গেছে। আমাদের দেশের মৌলিক অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে [সেই উদ্যোগগুলোর] যথাযথ উত্তর দেওয়া হয়েছে।”

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এম.বি. গালিবাফও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যে চোরাবালিতে আটকা পড়েছে তা থেকে বাঁচতে 'ফেক নিউজ' ব্যবহার করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তেহরান এবং ট্রাম্পের দূত উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের মধ্যে নেপথ্যে আলোচনার সুযোগ করে দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এর সঙ্গে একাধিকবার ফোনালাপ করেছেন। ইসলামাবাদ শান্তি স্থাপনে গঠনমূলক ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার গত সপ্তাহে আরব দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকে জানান যে ইসলামাবাদ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করছে।

Next News Previous News