হাসপাতাল নয়, আদ দ্বীনের প্যাথলজির লাইসেন্স বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ, দাবি শিশির মনিরের
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স নিয়ে বিভ্রান্তি, মুখোমুখি অবস্থান ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়নি বলে দাবি করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির। তিনি বলেন, হাসপাতালের লাইসেন্স নয়, বরং প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। একই দিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান চিঠির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান।
তবে শুক্রবার (১২ জুন) সকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির ফেসবুকে নথিপত্র প্রকাশ করে দাবি করেন, হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হয়নি। তার ভাষায়, “আদ-দীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেনি, বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স।”
তিনি আরও বলেন, দুটি আলাদা লাইসেন্স রয়েছে—একটি হাসপাতাল পরিচালনার জন্য এবং অন্যটি প্যাথলজি সেন্টারের জন্য। তার দাবি অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষের কারণ দর্শানোর নোটিশেও প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স নম্বর উল্লেখ ছিল।
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তে ভিন্নতা থাকায় বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যাখ্যার ভিত্তিতে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার বিষয়টি উঠে আসে বলে জানা গেছে।
