সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি নিজেও সশস্ত্র বাহিনীর পরিবারের সন্তান। আমরা চাই সশস্ত্র বাহিনী আরও শক্তিশালী হোক এবং দেশের জন্য তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারুক।”

সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা ও লক্ষ্য

তিনি উল্লেখ করেন, একটি দেশের সশস্ত্র বাহিনী মূলত রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তার জন্য গঠিত হয়। বাংলাদেশও এই লক্ষ্য পূরণে তার বাহিনীকে আরও দক্ষ ও প্রস্তুত করতে চায়।

বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ এবং কৌশলগত পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি

এর আগে সকালে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটের দিকে তিনি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা তাকে স্বাগত জানান।

জাতীয় প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ আয়োজন করা হয়, যা দেশের সামরিক সক্ষমতা ও শৃঙ্খলার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের জনগণের সামনে বাহিনীর প্রস্তুতি ও দক্ষতা তুলে ধরা হয় এবং জাতীয় ঐক্যের বার্তা দেওয়া হয়।

উপসংহার

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ দেশের নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Source: Based on reporting from Amar Desh

Next News Previous News