প্রথমবার হাইপারসনিক ‘ডার্ক ইগল’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করল যুক্তরাষ্ট্র
প্রথমবার বিদেশে মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ডার্ক ইগল’
প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করে যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো তাদের অত্যাধুনিক ‘লং-রেঞ্জ হাইপারসোনিক উইপন’ সিস্টেম বিদেশের মাটিতে মোতায়েন করেছে।
মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার নর্দার্ন টেরিটরিতে আয়োজিত একটি বৃহৎ বহুজাতিক সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে এই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি সেখানে পাঠানো হয়েছে।
‘ডার্ক ইগল’ কী
‘ডার্ক ইগল’ ডাকনামের এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন ও বিধ্বংসী। এটি শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি গতিতে ছুটে গিয়ে প্রায় ১৭২৫ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
এই অস্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি মাঝ আকাশে নিজের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। ফলে শত্রুপক্ষের রাডার বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে একে শনাক্ত করা বা প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।
ইন্দো-প্যাসিফিকে শক্তির বার্তা
মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দ্রুত উন্নত অস্ত্রশস্ত্র মোতায়েন করার সক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে হাইপারসোনিক প্রযুক্তি নিয়ে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা প্রতিযোগিতার মুখে ওয়াশিংটন ও তার মিত্র দেশগুলো তাদের সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করছে।
অস্ট্রেলিয়ার দুর্গম নর্দার্ন টেরিটরিতে ‘ডার্ক ইগল’ মোতায়েনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিজেদের প্রতিশ্রুতি এবং এই অঞ্চলে কৌশলগত উপস্থিতির বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
