টোকিও দূতাবাসে solemn শ্রদ্ধায় পালিত হলো জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস
জাপানের রাজধানী টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদায় পালিত হলো জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস। অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবং টোকিওস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়, যেখানে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।
দূতাবাসের মিলনায়তনে আয়োজিত এ আয়োজনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিতদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যাঁদের কেউ কেউ সেই ঐতিহাসিক আন্দোলনের প্রত্যক্ষ সাক্ষী।
রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে বলেন, “তাঁর ভাষায়, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান আমাদের গণতান্ত্রিক চেতনাকে জাগ্রত করেছিল। শহিদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে আমাদের উচিত সম্মিলিতভাবে দেশের কল্যাণে কাজ করে যাওয়া।’”
তিনি আরও বলেন, “তাঁর ভাষায়, ‘দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স। বৈধ পথে আরও বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আপনারা দেশের অগ্রগতিতে অংশ নিতে পারেন।’”
এ উপলক্ষে দূতাবাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী বিশেষ গ্রাফিতি প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে, যা দেশপ্রেম জাগাতে প্রবাসী নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।
অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে।
সম্প্রতি: বাংলাদেশে ও প্রবাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন আয়োজনে ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানাতে সামাজিক মাধ্যমে চলছে সচেতনতামূলক প্রচার।
এই দিনে ফিরে তাকালে প্রশ্ন জাগে—আজকের বাংলাদেশ সেই চেতনার পথে কতটা অগ্রসর? আপনার মতামত কী?
