নিষিদ্ধ পলিথিন বন্ধে র্যাবের সচেতনতামূলক অভিযান
রাজধানীর বাজারে আবারও দেখা যাচ্ছে নিষিদ্ধ পলিথিনের ছড়াছড়ি। অথচ ২০০২ সালেই এই পণ্যটির উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে কী হচ্ছে? এই বাস্তবতা বদলাতে এবার সরাসরি মাঠে নামলো র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
আজ রাজধানীর মিরপুর-১ কাঁচাবাজার এবং গুলশান-১ ডিএনসিসি মার্কেট এলাকায় পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে র্যাব সদস্যরা লিফলেট বিতরণ করেন। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন তারা, বোঝান—এই পলিথিন শুধু পরিবেশ নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি।
র্যাব জানিয়েছে, “পরিবেশবিধ্বংসী এই নিষিদ্ধ পণ্য ঠেকাতে নিয়মিতভাবে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।”
আজকের এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের একজন পরিদর্শকও। তিনি জনসাধারণকে জানান—“পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন—জুট, কাপড় বা রিইউজেবল প্যাকেজিং। আর আইন অমান্য করলে রয়েছে শাস্তির বিধান।”
উল্লেখ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা হতে পারে।
সম্প্রতি পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনও পলিথিন বন্ধে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে। ঢাকার বাইরে, বিশেষ করে বিভাগীয় শহরগুলোতেও একই ধরনের অভিযান শুরু করার দাবি উঠছে নাগরিক সমাজ থেকে।
প্রশ্ন হচ্ছে—নিষিদ্ধ ঘোষণার দুই দশক পরও কেন বন্ধ হয়নি পলিথিন? কেবল অভিযানেই কি বদলানো সম্ভব এই চিত্র? নাকি দরকার আরও সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ?
