বাংলাদেশ কখনোই চরমপন্থার আশ্রয়স্থল হবে না — বিএনপির প্রতিশ্রুতি
ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণতন্ত্র উত্তরণে কবি-সাহিত্যিকদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এ বক্তব্য দেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় দলের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি কবি-সাহিত্যিকরাও অংশ নেন।
সভায় কবিতা পরিষদের উপদেষ্টা ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মন্তব্য করেন— কবি-সাহিত্যিকরা যেন আগ্নেয়গিরির মতো সমাজকে নাড়া দেন। তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য ভিন্ন মত দিয়ে বলেন, “আগুনের কথা না বলে এখন ফুলের সৌরভের কথা বলা উচিত। গণতন্ত্র, অধিকার ও স্বাধীনতার বার্তা কবিতা ও সাহিত্য থেকে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।”
আলোচনায় আরও উল্লেখ করা হয়— জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় বহু লেখক-সাহিত্যিক নীরব ছিলেন, কিন্তু এখন জনগণের পক্ষে কলমকে আবারও সক্রিয় করার সময় এসেছে।
জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি অভিযোগ করেন, গত সরকারে অনেক কবি-সাহিত্যিককে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এবং কেউ কেউ হুমকির মুখেও পড়েছিলেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের পক্ষে যারা, তারা আসলে দেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিরোধী শক্তি।
সভায় বিএনপির উপদেষ্টা, মিডিয়া সেলের নেতৃবৃন্দ ও বেশ কয়েকজন কবি-সাহিত্যিক বক্তব্য রাখেন। সবার অভিন্ন মত— গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে সংস্কৃতি ও সাহিত্য হবে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, বিএনপি তাদের আসন্ন কর্মসূচিতেও কবি-সাহিত্যিকদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা করছে, যাতে সংস্কৃতির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
প্রশ্ন রইল— কবি-সাহিত্যিকদের কলম কি আবারও গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার পক্ষে অগ্নিমুখর হয়ে উঠবে?
