নোয়াখালীতে ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ দুজন
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, যুবদলের এক কর্মীর গুলিতে জামায়াতের যুব বিভাগের দুই সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বেতুয়াবাগ গ্রামের একটি দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধরা হলেন—সজীব হোসেন (২০) ও তুষার (২১)। তারা দুজনই স্থানীয়ভাবে জামায়াতের যুব বিভাগের সদস্য বলে জানা গেছে। বর্তমানে তারা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় জামায়াতের স্থানীয় নেতারা অভিযোগ করে বলেন, গত শুক্রবার ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে যুবদল ও জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে একাধিক দফায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তাঁদের ভাষায়, “রোববার সন্ধ্যায় স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চললেও বৈঠক শেষে পুনরায় হামলা ও গুলি চালানো হয়।”
অভিযোগ রয়েছে, যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীর নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক জানান—এ বিষয়ে তাঁর কাছে সঠিক তথ্য নেই, খোঁজ নিয়ে পরবর্তীতে জানাবেন।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি লিটন দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তাঁর ভাষায়, “খেলা দেখা ও খেলায় সুযোগ না পাওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয়। স্থানীয় মুরুব্বিরা বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করলেও, পরে দুজন গুলিবিদ্ধ হন।”
সাম্প্রতিক আপডেট
পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় এখন অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।
ফুটবল মাঠের ছোটখাটো বিরোধ থেকে এমন সহিংসতায় জড়িয়ে পড়া—এটি কি কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, নাকি স্থানীয় অস্থিরতার ফল? এ বিষয়ে আপনাদের মতামত কী?
