পিআরে গণতন্ত্র নেই, চিৎকারের উদ্দেশ্য ‘যদি কিছু পায়’
চকরিয়ায় অনুষ্ঠিত বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন— “তাঁর ভাষায়, ‘গণতন্ত্রের ভাষা হচ্ছে মানুষ যাকে পছন্দ করবে তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। কিন্তু পিআরের ভাষা হচ্ছে মার্কার মধ্যে ভোট দেবে, কে এমপি হবে কেউ জানে না।’”
তিনি অভিযোগ করেন, পিআরে প্রকৃত গণতন্ত্র নেই। তার মতে, যারা পিআর ব্যবস্থার পক্ষে উচ্চস্বরে কথা বলছে, তাদের উদ্দেশ্য গণতন্ত্র নয়; বরং ব্যক্তিগত সুবিধা লাভ। তিনি বলেন— “তাঁর ভাষায়, ‘যারা পিআর-পিআর করছে, তাদের উদ্দেশ্য পিআর না, বরং যদি কিছু পাওয়া যায় সেই আশা।’”
সম্মেলনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ বহু বছর ধরে ভোটাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছে। সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে শুধুমাত্র অবাধ ভোটের মাধ্যমেই। তিনি বলেন, অতীতে দেশের গণতন্ত্র ও রাজনীতি নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে, ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান ঘরে ঘরে গিয়ে প্রতীকী ধানের শীষের পক্ষে সমর্থন চাইতে।
সম্মেলনে জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা দাবি করেন, দীর্ঘ ৫ বছর পর জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজিত এ সম্মেলনে অন্তত ৫০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নিয়েছেন। গান-বাজনা ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে সম্মেলনস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন প্রশ্ন উঠছে— পিআর নিয়ে বিতর্ক চলমান থাকলেও, সামনে জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের জন্য কোন ব্যবস্থায় সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সুযোগ নিশ্চিত করা হবে?
