দুই সাংবাদিকের ওপর হামলায় জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের নিন্দা

ভোলায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নিন্দার ঝড় উঠেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন— “তাঁর ভাষায়, ‘সময় টেলিভিশনের সাংবাদিক নাসির উদ্দিন লিটন ও ভিডিও জার্নালিস্ট উৎপল দেবনাথের ওপর বিএনপি নেতা কাজী রাসেলের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে। এটি ন্যক্কারজনক এবং বাকস্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ।’”

তিনি আরও জানান, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাদের ওপর হামলা শুধু সাংবাদিকতা নয়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপরও আঘাত। একই সঙ্গে তিনি হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অপরদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমও এক বিবৃতিতে নিন্দা জানান। তিনি বলেন— “তাঁর ভাষায়, ‘সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের স্তম্ভ। তাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না। অতীতে সাংবাদিকদের ওপর নানা নির্যাতন চালানো হয়েছে, অথচ পরিবর্তনের পরও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি।’”

তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনও সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হামলার প্রবণতা চলছে। ভোলার দৌলতখানে সাংবাদিকদের ওপর হামলা তার সর্বশেষ দৃষ্টান্ত। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে।

সংবাদকর্মীদের ওপর এ ধরনের হামলা গণতান্ত্রিক চর্চা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এখন প্রশ্ন থেকে যায়— সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলো কতটা আন্তরিক হবে?

Next News Previous News