পল্টন নাশকতা মামলা: কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল কারাগারে
জানা গেছে, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে এই মামলায় শহিদুল ইসলাম বাবুলকে ফৌজদারি দণ্ডবিধির দুটি ধারায় সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এক ধারায় আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড; অপর ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও একই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
সোমবার সকালে তিনি আপিলের শর্তে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামান জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করবেন। তাঁর ভাষায়, “আমরা বিশ্বাস করি, আপিলে ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে।”
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কক্সবাজার সফর শেষে ঢাকায় ফেরার পথে দলের নেতাকর্মীরা পল্টনে সমাবেশ করে সরকারবিরোধী স্লোগান দেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা ভিআইপি সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুরের চেষ্টা চালান। ওই সময় পল্টন থানার এক উপ-পরিদর্শক মামলাটি দায়ের করেন এবং পরবর্তী তদন্ত শেষে ২০১৯ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, মামলাটির আপিল কার্যক্রম দ্রুতই দায়রা জজ আদালতে শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ রায়কে ঘিরে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে—এই মামলার আপিলে কী নতুন মোড় আসবে? আর এর প্রভাব রাজনৈতিক অঙ্গনে কতটা পড়তে পারে? আপনাদের মতামত কী?
