শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিন অভিযানে স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ৩
এপিবিএন জানায়, প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয় সকাল ৯টা ২০ মিনিটে বিমানবন্দরের বহির্গমন ও আগমনী টার্মিনালের গোলচত্ত্বরে। তল্লাশির সময় এক যাত্রীর কাছ থেকে ২৯৩.৫০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩৬ লাখ ১০ হাজার টাকা।
দ্বিতীয় অভিযান চালানো হয় দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে, আগমনী টার্মিনালের মিডিয়া কর্নার এলাকা থেকে। সেখানে এক যাত্রীর কাছ থেকে ৩৯৫ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৬ লাখ ২১ হাজার টাকা।
এর আগে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে আরও এক যাত্রীকে আগমনী টার্মিনালে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১৯৯ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়। পরে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে পাঠানো হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের অংশ হিসেবে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশে স্বর্ণ আনছিলেন এবং ‘রিসিভার’ হিসেবে কাজ করছিলেন।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান: “তাঁর ভাষায়, ‘বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধ ও অপরাধ দমনে আমরা সর্বদা সতর্ক। স্বর্ণ চোরাচালান প্রতিরোধে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’”
সাম্প্রতিক আপডেট
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনা নিয়মিত ধরা পড়ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, সম্প্রতি নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে এবং বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রযুক্তি ব্যবহার করে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।
প্রশ্ন রইল—বিমানবন্দরে নিয়মিত নজরদারির মধ্যেও কীভাবে এই চক্রগুলো সক্রিয় থাকতে পারে? আপনার মতে এর স্থায়ী সমাধান কীভাবে সম্ভব?
