৫ই আগস্ট হোক গণতন্ত্র ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির দিন

নিউজ ডেস্ক: “আজ এবং আগামীর প্রতিটি ৫ই আগস্ট হয়ে উঠুক গণতন্ত্র, সুশাসন প্রতিষ্ঠা আর মানবিক মানুষ হয়ে ওঠার অঙ্গীকারের দিন”—এক ভিডিও বার্তায় এমনটাই বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

মঙ্গলবার সকালে দলটির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় তিনি জাতির উদ্দেশে এ বক্তব্য দেন। তার ভাষায়, “বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেওয়া হবে না।”

এক বছর আগে এই দিনে, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট, ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘটনাকে স্মরণ করে তিনি বলেন, “এই দিনটি আনন্দের, বিজয়ের। আজ থেকে এক বছর আগে এই দিনে ফ্যাসিস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়েছে। রাহুমুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ।”

এই দিনটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার—এমন দাবিও এসেছে তাঁর বক্তব্যে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “বাংলাদেশের জনগণ প্রতিবছর এই দিনটিকে স্বাধীনভাবে, সানন্দে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে উপভোগ করবে।”

পূর্ববর্তী সরকারের আমলে বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অকার্যকারিতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “স্থানীয় সরকার থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত, জনগণ যখন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন কিংবা পরিবর্তন করতে পারবে না, তখন রাষ্ট্রে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে না।”

জনগণ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়, সেই অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “মব ভায়োলেন্সকে উৎসাহিত করা ঠিক নয়।” পাশাপাশি, গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার মাধ্যমে জনগণকে আরও শক্তিশালী করে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।

সাম্প্রতিক আপডেট: বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বার্তাটি প্রকাশের পরপরই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে—আগামী দিনে এই ৫ই আগস্ট আদৌ একটি রাষ্ট্রীয় দিবস রূপে স্বীকৃতি পাবে কিনা, তা এখন দেখার বিষয়।

প্রশ্ন থেকে যায়—৫ই আগস্ট কি সত্যিই একটি ঐতিহাসিক মোড়বদলের দিন হয়ে উঠছে? না কি এটি কেবল রাজনৈতিক বয়ানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

Next News Previous News