গণমাধ্যমকে সতর্ক করছি, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলেই আইনি ব্যবস্থা
অন্তর্বর্তী সরকার স্পষ্ট করেছে—ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য প্রচার করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। তাই শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য সম্প্রচার বা প্রকাশ করা হলে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার বিকেলে সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে দেশের টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়ার উদ্দেশে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে
সরকারের ভাষায়, “কিছু গণমাধ্যম আইন ও আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ক্ষমতাচ্যুত নেতার উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করেছে। এ ধরনের প্রচারকর্ম আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং জাতীয় স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।”
এছাড়া মনে করিয়ে দেওয়া হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যেই ঘৃণাবাচক ও উসকানিমূলক বক্তব্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার যেকোনো বক্তব্য প্রচার করা বেআইনি।
সরকারের অবস্থান
অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে—জাতির ইতিহাসের এ গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে যেন কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা না আসে, সেজন্য গণমাধ্যমকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, তারা ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক অখণ্ডতার ভিত্তিতে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। জনগণও একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সতর্কবার্তা
বিবৃতিতে বলা হয়—“যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি নিষিদ্ধ সংগঠন বা তার নেতাদের বক্তব্য প্রচার করে, তবে বাংলাদেশের আইনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রশ্ন হচ্ছে—গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বজায় রাখা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষা—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা সম্ভব? এ বিষয়ে আপনার মত কী?
