গোয়াইনঘাটে নৌপথে চাঁদাবাজি: র্যাবের অভিযানে সমন্বয়ক পরিচয়দানকারীসহ ৭ জন গ্রেপ্তার
সিলেটের গোয়াইনঘাটে নৌপথে চাঁদাবাজির অভিযোগে সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার গভীর রাতে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব-৯ এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে প্রধান আসামি আজমল হোসেন, যিনি নদীপথে নৌকা ও বাল্কহেড আটকিয়ে চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বাড়ি গোয়াইনঘাট উপজেলার লেঙ্গুড়া গ্রামে।
বাকিদের মধ্যে রয়েছেন— সুলতান আহমদ, বিল্লাল মেম্বার, সুবহান, শাকিল, ফারুক মিয়া এবং ফয়সল মৌলবী— যারা একই এলাকায় বসবাস করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজমলের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ দল দীর্ঘদিন ধরে নৌপথে পণ্যবাহী নৌযান আটকিয়ে অর্থ আদায় করত। এ নিয়ে ভুক্তভোগী আব্দুল হালিম থানায় মামলা দায়ের করলে র্যাব অভিযান চালায়।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, “চাঁদাবাজির মামলায় র্যাব-৯ সাতজনকে আটক করে আমাদের থানায় হস্তান্তর করেছে। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: নৌপথে চাঁদাবাজি ও অবৈধ অর্থ আদায়ের ঘটনা বিভিন্ন জেলায় বাড়ছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, নৌযান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আপনার মতামত কী— নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোন পদক্ষেপ সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
