যাত্রাবাড়ীতে হত্যাকাণ্ড: টিভি চ্যানেলের চেয়ারম্যানের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
সোমবার বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়া উদ্দীন আহমেদ এই আদেশ দেন। এর আগে রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের বিস্তারিত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক খান মো. এরফান ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত ৫ দিন মঞ্জুর করেন। গত রোববার গুলশান এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীর পাকা রাস্তার ওপর অংশগ্রহণ করেছিলেন মো. আসাদুল হক বাবু। দুপুর আড়াইটার দিকে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাম্প্রতিক আপডেটে জানা গেছে, এ মামলার অন্যান্য আসামিদের শনাক্তে সিআইডি আরও তথ্য সংগ্রহ করছে এবং প্রয়োজনীয় ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ চলছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের ভাষায়, “ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।”
এখন প্রশ্ন উঠছে—জুলাই আন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কতটা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে শেষ হবে? আপনাদের কী মনে হয়, বিচার প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা উচিত কি না?
