খাদ্য, বায়ু ও পানির নিরাপত্তায় বাড়াতে হবে বিনিয়োগ: বিশেষজ্ঞদের আহ্বান

বাংলাদেশকে সবুজ ও নিরাপদ দেশে রূপান্তর করতে খাদ্য, বায়ু ও পানির নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টেকসই উন্নয়নের পথে এগোতে হলে এখনই যুগোপযোগী নীতি প্রণয়ন এবং কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি।

রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও পানি সম্পদ খাতের উপদেষ্টা প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন—“নাগরিকদের সচেতনতা টেকসই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে হবে এবং অতিরিক্ত ভোগ কমাতে হবে। আমাদের অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিবেশ সুরক্ষার দাবি জনগণের মধ্য থেকেই উঠে আসছে। তাঁর ভাষায়, “সাদা পাথর লুটের ঘটনা দেখেই বোঝা যায় পরিবেশ রক্ষা কতটা জরুরি। একইভাবে কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহার কমাতে হবে, পলিথিন ব্যাগ বন্ধ করতে হবে এবং উন্নয়নের নামে পাহাড়-অরণ্যের অপব্যবহার রোধ করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সরকারের কাছে ট্যাক্স প্রণোদনার প্রস্তাব দেওয়া হবে, যাতে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগগুলো উৎসাহিত হয়। বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেন—বাংলাদেশে অনেক নীতি থাকলেও এখন সবচেয়ে প্রয়োজন কার্যকর বাস্তবায়ন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আয়োজিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন সুইডেন দূতাবাসের প্রতিনিধি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তাঁদের মতে, টেকসই উন্নয়ন কোনো বিকল্প নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এটি দায়িত্ব।

সাম্প্রতিক আপডেট: পরিবেশ অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের তিনটি অঞ্চলকে আনুষ্ঠানিকভাবে পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি, পলিথিন ব্যবহার কমাতে সরকারি সংস্থাগুলোও বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছে।

প্রশ্ন রইল—আমরা কি সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজেদের জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত?

Next News Previous News