নুরের ওপর হামলা নির্বাচনবিরোধী ষড়যন্ত্র: বিএনপি নেতার মন্তব্য
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর সাম্প্রতিক হামলাকে আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক শীর্ষস্থানীয় নেতা।
তাঁর ভাষায়, “কেন আজকে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে রক্তাক্ত হতে হয়? নুরের ওপর আঘাত কারা করেছে? এটা খুঁজে বের করতে হবে। এটা বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং সামনে যে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হওয়ার কথা, সেটির বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র।”
লক্ষ্মীপুর সদর (পশ্চিম) উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, গত এক বছরে রাজনৈতিক ঐক্যের জায়গাটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। ঐক্যের ফাঁকফোকর দিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ নিচ্ছে, আর এর ফলেই হামলার মতো ঘটনা ঘটছে।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশে স্বাভাবিক রাজনীতি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেনি। গায়েবি মামলা, মিথ্যা অভিযোগ, গুম-খুন সবই হয়েছে।”
একইসঙ্গে জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যদি ঐক্যের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি হয়, তাহলে ‘ফ্যাসিস্টরা’ সুযোগ নেবে। তাই জাতীয় ঐক্য বজায় রেখে বাংলাদেশকে রক্ষার আহ্বান জানান তিনি।
সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। দীর্ঘ ১৩ বছর পর এই উপজেলায় বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে। তবে হামলার পেছনে কারা জড়িত, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি।
প্রশ্ন হচ্ছে—এই ধরনের হামলা কি সত্যিই আসন্ন নির্বাচনী পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য পরিকল্পিত? নাকি এটি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার আরও একটি প্রতিফলন?
