তৌহিদ আফ্রিদিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে জুলাই আন্দোলনের সময় নিহত আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও বেসরকারি টেলিভিশনের পরিচালক তৌহিদ আফ্রিদিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ নির্দেশ দেন। এর আগে তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, তৌহিদ আফ্রিদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন এবং আন্দোলন ঠেকাতে বিভিন্ন সেলিব্রেটি ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্ররোচিত করেছিলেন। অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, তাঁর এই কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত হয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীরা গুলি চালায়, যাতে প্রাণ হারান আসাদুল হক বাবু।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, “তৌহিদ আফ্রিদি হত্যায় সহায়তা করেছেন।” তবে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি অভিযোগ নাকচ করে জানান, এসবের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট বরিশাল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে সিআইডি। মামলায় তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নম্বর এবং তাঁর বাবা নাসির উদ্দিন সাথী ২২ নম্বর আসামি। নাসির উদ্দিন সাথীকেও আগেই গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত বছরের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বাবু। নিহতের বাবা ওই বছরের ৩০ আগস্ট মামলাটি করেন, যেখানে সাবেক শীর্ষ নেতাসহ মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়।
সর্বশেষ আপডেট
আইনজীবীদের দাবি, তৌহিদ আফ্রিদি বর্তমানে লিভার ও কিডনির জটিল রোগে ভুগছেন। এ কারণে কারাগারে তাঁর চিকিৎসা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে—এ ধরনের মামলায় আলোচিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ কতটা প্রমাণিত হতে পারে, আর তদন্তের ফলাফল কতটা জনআস্থা অর্জন করবে?
