নূরের ওপর হামলার ঘটনায় আইনানুগ তদন্তের দাবি বিএনপির
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরের ওপর হামলার ঘটনায় আইনানুগ তদন্ত দাবি করেছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমরা বর্তমানে একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর গণতান্ত্রিক উত্তরণের সময় অতিক্রম করছি, যার প্রথম ধাপ হলো জাতীয় নির্বাচন। আজ যা ঘটেছে, তেমন অস্থিতিশীলতামূলক ঘটনা যেন আর ছড়িয়ে না পড়ে এবং গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত না করে—এটি আমাদের সম্মিলিতভাবে নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি নুরুল হক নূরের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং সরকারের প্রতি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানান। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাকরাইলে সংঘটিত সহিংস ঘটনারও তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “বিএনপি এবং মিত্র গণতন্ত্রপন্থী অংশীদারদের অবশ্যই সংযম ও সহনশীলতা বজায় রাখতে হবে। গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে জয়ী করতে হবে। দেশকে অবশ্যই বেআইনি মবের শাসন ও অস্থিরতার শৃঙ্খল থেকে বের হয়ে আসতে হবে।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, “বাংলাদেশের অগ্রগতি দেখতে চাইলে আমাদের মব সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সতর্কতা বজায় রাখতে হবে, আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে হবে এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে হবে।”
মির্জা ফখরুলের মতে, কেবল গণতান্ত্রিক পথেই জনগণকে ক্ষমতাবান করা সম্ভব এবং সবার জন্য ন্যায়বিচার, সাম্য ও মর্যাদা নিশ্চিত করা গেলে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি গড়ে উঠবে।
সর্বশেষ আপডেট
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নুরুল হক নূর আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন হলেও স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চলছে। এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে এ হামলা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে এবং বিভিন্ন পক্ষ থেকে শান্তি ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
প্রশ্ন থেকে যায়—এই ধরনের হামলা ও অস্থিতিশীলতা বন্ধে রাজনৈতিক দলগুলো কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে?
