সানায় ভয়াবহ হামলা: হুতি সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য নিহত হওয়ার দাব

ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ হামলায় হুতি সরকারের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাভি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।

তবে এখানেই শেষ নয়—ইসরায়েলি চ্যানেল-১২ জানিয়েছে, শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, তার সঙ্গে মন্ত্রিসভার আরও অন্তত ১২ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও সেনাবাহিনী এখনো এই তথ্য শতভাগ নিশ্চিত করতে পারেনি। তাঁদের ভাষায়, “কে কে মারা গেছেন, তা নিরূপণের কাজ চলছে।”

ইয়েমেনের সংবাদমাধ্যম আল-জুমহুরিয়াআদেন আল-ঘাদ প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, তার কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীও প্রাণ হারিয়েছেন। তবে কারা নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ইসরায়েলি সূত্র জানায়, আগে থেকেই গোয়েন্দা তথ্য ছিল যে হুতি সরকারের মন্ত্রীরা এক জায়গায় জড়ো হবেন। সেই সূত্র ধরেই রাজধানী সানায় হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলি এক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওইদিন আলাদা দুটি জায়গায় হামলা হয়। এর মধ্যে একটি স্থানে ১০ জন মন্ত্রী একত্রিত ছিলেন, যেখানে তাঁরা হুতিদের শীর্ষ নেতার বক্তব্য শুনছিলেন।

তবে এখনো পরিষ্কার নয়, প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই এক জায়গায় ছিলেন নাকি আলাদা স্থানে অবস্থান করছিলেন। চ্যানেল-১২ এর দাবি অনুযায়ী, হামলার সময় হুতি সেনাপ্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েনেত বলছে, তাদের পর্যবেক্ষণে এই হামলা ‘সফল’ হয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তুতে থাকা হুতি কর্মকর্তারা নিহত হয়েছেন।


সাম্প্রতিক আপডেট: আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, এ হামলার কারণে ইয়েমেনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি মানবিক সংকটও নতুন করে তীব্র আকার ধারণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আপনার কী মনে হয়? এ ধরনের হামলা কি সংঘাত কমাবে, নাকি আরও সহিংসতা বাড়াবে?

Next News Previous News