জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের আইনগত দিক যাচাই করা হচ্ছে

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির বিষয়ে আইনগত দিক যাচাই-বাছাই চলছে। তাঁর ভাষায়, “বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের সব বিতর্কিত নির্বাচন ও জুলাই বিপ্লবে দমন-পীড়নে সহযোগিতা করেছে জাতীয় পার্টি। তাই এ বিষয়ে আইনগতভাবে কী করা যায় তা দেখা হচ্ছে।”

শনিবার ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, “যদি গণহত্যা, সন্ত্রাস ও ফ্যাসিবাদের কারণে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হতে পারে, তবে জাতীয় পার্টি কেন নয়? ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত তারা দেশের মানুষের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে।”

নুরুল হক নুরের ওপর সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গেও তিনি বক্তব্য দেন। তাঁর ভাষায়, “এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বাত্মক চেষ্টা করছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে। তবে মানুষের মধ্যে ১৭ বছরের ক্ষোভ নানা ঘটনার মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে।”

দুর্নীতিবাজদের প্রতি কড়া সতর্কবার্তাও দেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি বলেন, “চোরাবালিতে ডুবে যাওয়া এই দেশ এক যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণরা জীবন দিয়েছে। এই বাংলাদেশে কোনো দুর্নীতিবাজ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না।”

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত আলোচনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ, জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়ালসহ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশ্ন রইলো: জাতীয় পার্টির নিষিদ্ধ প্রসঙ্গ বাস্তবে কতদূর এগোবে, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল এখন তুঙ্গে।

Next News Previous News