আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১২ কোটি ৭৮ লাখ
বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা হতে পারে প্রায় ১২ কোটি ৭৮ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫২ জন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাম্প্রতিক সভার বিবরণীতে এই সম্ভাব্য তথ্য উঠে এসেছে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার ২৮৯ জন। এবার ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম-২০২৫ সম্পন্ন হওয়ার পর, জন্ম তারিখ ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত করে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ বেড়ে যেতে পারে।
কেন্দ্র ও কক্ষের সংখ্যাতেও দেখা যাচ্ছে বড় পরিবর্তন। দ্বাদশ নির্বাচনে ছিল ৪২ হাজার ১৪৮টি ভোটকেন্দ্র ও ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৬৪টি ভোটকক্ষ। কিন্তু এবার সম্ভাব্য ২ হাজার ৯৫০টি নতুন কেন্দ্র যোগ হয়ে মোট ভোটকেন্দ্র দাঁড়াতে পারে ৪৫ হাজার ৯৮টি। একইভাবে ১৯ হাজার অতিরিক্ত কক্ষ যোগ হয়ে মোট ভোটকক্ষ হতে পারে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার ৫৬৪টি।
কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রেও পরিকল্পনা প্রায় প্রস্তুত। ইসি জানিয়েছে, এই নির্বাচনে ভোটগ্রহণের জন্য লাগতে পারে প্রায় ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯০ জন কর্মকর্তা। পূর্ব অভ্যাস অনুযায়ী, প্রয়োজনের চেয়ে ১০% বেশি কর্মকর্তাকে প্যানেলে রাখা হবে এবং তার মধ্যে ৫% অতিরিক্ত কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ফলে এবারের নির্বাচনে প্রশিক্ষিত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার সংখ্যা দাঁড়াতে পারে প্রায় ৯ লাখ ৩১ হাজার ১৩১ জন।
সাম্প্রতিক আপডেট অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষের প্রাথমিক তালিকা প্রণয়ন শুরু করেছে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তা নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যাতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সময়মতো শেষ করা যায়।
প্রশ্ন হচ্ছে—বর্ধিত ভোটার সংখ্যা ও নতুন কেন্দ্র যোগ হওয়ার ফলে নির্বাচন পরিচালনার জটিলতা কতটা বাড়বে, এবং তা মোকাবেলায় প্রস্তুতি কতটা পর্যাপ্ত?
