বিচারের আগেই ভারতীয় নাগরিকদের নির্বাসনের সিদ্ধান্ত, তালিকায় নেই বাংলাদেশ

যুক্তরাজ্যে অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে আপিল শোনার আগেই নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নীতি চালু রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো ভারত। ফলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নাগরিকরা এই নীতি থেকে আপাতত ছাড় পেলেও, ভারতীয়দের গ্রেপ্তার ও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সরাসরি ফেরত পাঠানো হবে নিজ দেশে।

ব্রিটেনের নতুন তালিকা

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র দপ্তরের "এখন বহিষ্কার, পরে আপিল" নীতিতে নতুন করে ১৫টি দেশ যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে তালিকাভুক্ত দেশ থেকে আসা বিদেশি অপরাধীরা আপিল শুনানির আগেই নির্বাসিত হবেন। নতুন যুক্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারত, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া। সব মিলিয়ে এখন এই তালিকায় দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩।

নীতির মূল উদ্দেশ্য

ব্রিটেন সরকার জানিয়েছে, কারাগারের চাপ কমানো এবং অপরাধ নিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগ হ্রাস করাই এই নীতির লক্ষ্য। অপরাধীকে প্রথমে দেশে ফেরত পাঠানো হবে, এরপর তিনি নিজ দেশ থেকে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে আপিলে অংশ নিতে পারবেন। তবে সন্ত্রাসী, খুনি বা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রথমে সাজা ভোগ করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য

ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেন, “এই কর্মসূচি সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য হলো বিদেশি অপরাধীদের আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ এবং তাদের দ্রুত নির্বাসন নিশ্চিত করা।”

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

নতুন তালিকায় বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের নাম না থাকায়, এই দুই দেশের নাগরিকরা আপাতত আগের মতোই আপিল শুনানির সুযোগ পাবেন এবং নির্বাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে পারবেন।

আপনার মতামত?
বিদেশে অপরাধে দোষী হলে বিচারের আগেই নির্বাসন—এটি কি অপরাধ দমন করবে, নাকি ন্যায্য বিচারের অধিকার সীমিত করবে? আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কী?

Next News Previous News