শিবগঞ্জে বিল থেকে কোটি টাকার মাছ চুরি ও হামলার অভিযোগ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে প্রায় ৪ কোটি টাকার মাছ চুরি ও হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কৃষক লীগের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের একটি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকাফ এস্টেটের প্রতিনিধি সাইদুল ইসলাম রানা অভিযোগ করেন—২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ওই নেতা বিল থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকার মাছ চুরি করেন এবং এস্টেটের দুই কর্মীকে পঙ্গু করে দেন। তাঁর ভাষায়, “ঘটনার পরদিনই শিবগঞ্জ থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, কিন্তু এরপরও তিনি আদালতের নির্দেশ অমান্য করে মাছ ধরা চালিয়ে যাচ্ছেন।”
রানা আরও জানান, গত ২১ মার্চ গভীর রাতে সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে বিল থেকে মাছ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছিল। কিন্তু থানায় নেওয়ার পথে অভিযুক্তদের হামলায় সেই সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়া হয়। হামলায় আহতদের শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, চার মাস পার হলেও এই হামলার কোনো মামলা এখনো রেকর্ড হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ তোলা হয় যে, অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চেক জালিয়াতি ও অন্যান্য একাধিক মামলা রয়েছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবিও জানানো হয়।
সর্বশেষ আপডেট: স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছে। তবে কোনো পক্ষই এখনো প্রকাশ্যে ঘটনার আইনি অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত জানায়নি।
প্রশ্ন থেকে যায়—এ ধরনের বড় অঙ্কের সম্পদ ক্ষতি ও সহিংস ঘটনার পরও কেন আইনি প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রিতার শিকার হয়?
