সরকারের দৃঢ় নিশ্চয়তা, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন
অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে যে আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আশ্বাস দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, “বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এটি অন্তর্বর্তী সরকারের একনিষ্ঠ অঙ্গীকার। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার যেকোনো ষড়যন্ত্র দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে। জনগণের ইচ্ছা জয়ী হবে, কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে বাধা দিতে দেওয়া হবে না।”
সরকার আরও জানায়, সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে। প্রভাব বা পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, কেউই জবাবদিহিতা থেকে রেহাই পাবে না।
এ সময় নুরুল হক নুর ও তাঁর দলের আহত সদস্যদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলা হয়, “এই সংকটময় সময়ে পুরো জাতি তাঁদের পরিবারের সঙ্গে রয়েছে।”
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নুরুল হক নুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের এক সাহসী মুখ হয়ে উঠেছিলেন।
প্রশ্ন হলো—সরকারের এই অঙ্গীকার কি জনগণের আস্থা পুনর্গঠনে যথেষ্ট হবে, নাকি সামনে আরও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ দেখা দেবে?
