ঢাকায় বাংলাদেশ–পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় বৈঠক: সই হতে যাচ্ছে একাধিক চুক্তি
রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। সকাল ১০টায় শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এ বৈঠকে ছয়টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত হওয়ার কথা জানা গেছে।
সমঝোতা স্মারকের মধ্যে রয়েছে সরকারি ও কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের ভিসা বিলোপ এবং বাণিজ্য বিষয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনসহ একাধিক বিষয়। এছাড়া ব্যবসা-বিনিয়োগ, কৃষি এবং দুই দেশের জনগণের চলাচল সহজীকরণ নিয়েও আলোচনা হয়।
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় পৌঁছান শনিবার দুপুরে, এবং রোববার সকালে তিনি পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক শেষে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রের মতে, আলোচনায় আরও আসতে পারে একাত্তরের গণহত্যার দায় স্বীকার ও ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়, এবং মুক্তিযুদ্ধের আগে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া সম্পদের ভাগাভাগি প্রসঙ্গ। যদিও এসব বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। তবে অতীতের অমীমাংসিত ইস্যুগুলোতে অগ্রগতি না হলে কেবল আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই সম্পর্ককে টেকসই করতে যথেষ্ট নাও হতে পারে।
আপনার মতে, অতীতের জটিল ইস্যু সমাধান না হলে—এই ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতি কতটা কার্যকর হতে পারে?
