গণতন্ত্রবিরোধী শক্তির নতুন টার্গেট জাতীয়তাবাদী রাজনীতি
ফ্যাসিস্ট শাসনের পতনের পর জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নতুন করে টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, অতীতের মতো এবারও গণতন্ত্রবিরোধী একটি গোষ্ঠী নানা অজুহাতে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।
বনানী কবরস্থানে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমরা বারবার দেখেছি, আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে তারা নানা অজুহাতে শক্তিশালী করছে। ১৯৮৬, ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৬ এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পরও নানা বিবৃতিতে প্রমাণ মিলেছে—জাতীয়তাবাদী শক্তিকেই টার্গেট করা হচ্ছে।”
তাঁর ভাষায়, “তারা ধর্মের নামে কৌশল অবলম্বন করছে এবং সামনের নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে।” তিনি আরও দাবি করেন, “পরাজিত ফ্যাসিবাদের দোসররা দেশে নেই, তবে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে কালো টাকা ও অবৈধ অস্ত্রের জোরে নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে। গণতান্ত্রিক শক্তি কোনো কর্মসূচি দিলেই তারা অন্ধকার থেকে ষড়যন্ত্রে নেমে আসে।”
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: নির্বাচন ঘিরে দেশের রাজনীতিতে নানা গোষ্ঠীর অবস্থান ও কর্মকাণ্ড নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এসব পরিস্থিতি আগামী ভোট প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
আপনার কী মনে হয়—এ ধরনের কর্মকাণ্ড কি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নষ্ট করছে?
