রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ অনুমোদন
উপদেষ্টা পরিষদের ৩৯তম বৈঠকে ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
সংশোধিত অধ্যাদেশে পূর্বে জারি করা আইনটির ১১টি ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো—রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নির্দিষ্ট ক্যাডারের পরিবর্তে বিশেষায়িত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করা।
সংশোধিত অধ্যাদেশের প্রধান দিকগুলো
- রাজস্ব নীতি বিভাগের সচিব: সামষ্টিক অর্থনীতি, বাণিজ্য নীতি, পরিকল্পনা, রাজস্ব নীতি বা রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের বিধান।
- রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব: রাজস্ব আহরণসংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সুযোগ।
- আয়কর নীতি, দ্বৈতকর পরিহার চুক্তি, আন্তর্জাতিক চুক্তি, শুল্ক ও ভ্যাট নীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কাস্টমস চুক্তি সংক্রান্ত অনুবিভাগে বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা নিয়োগ।
- মাঠ পর্যায়ে রাজস্ব আহরণ ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পদ পূরণের বিধান।
রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা—উভয় বিভাগেই অন্যান্য অনুবিভাগের জন্য সুনির্দিষ্ট যোগ্যতা ও বিশেষায়িত অভিজ্ঞতা-সম্পন্ন কর্মকর্তাদের নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে।
📌 প্রশ্ন হচ্ছে—এই নতুন কাঠামো কি রাজস্ব আদায়ে আরও স্বচ্ছতা ও দক্ষতা আনবে, নাকি বাস্তবায়নে জটিলতা বাড়াবে?
