মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ সপ্তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল আলোচিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সপ্তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ। মামলাটিতে অভিযুক্ত আছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক।
ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে এই শুনানি চলছে। এর আগে, গত ২০ আগস্ট ষষ্ঠ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চারজন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চিকিৎসক, নার্স এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা। এখন পর্যন্ত মোট ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
মামলার শুরু থেকে ধাপে ধাপে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সাক্ষ্য দিচ্ছেন। গত ১৮ আগস্ট পঞ্চম দিনের শুনানিতে শহীদ পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা সাক্ষ্য দেন। তার আগে ১৭ আগস্ট চারজন সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সাক্ষ্য দেন। এছাড়া আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং প্রত্যক্ষদর্শীরাও ইতিমধ্যে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এই মামলায় তিনজন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগের নথি প্রায় আট হাজার সাতশত পৃষ্ঠার, যেখানে শহীদদের তালিকা, দালিলিক প্রমাণ এবং জব্দতালিকা যুক্ত রয়েছে। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সাক্ষী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন মোট ৮১ জন।
এদিকে মামলার আরেক আসামি সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন দায় স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন। তদন্ত সংস্থা গত মে মাসে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
সর্বশেষ আপডেট
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আজকের সাক্ষ্যগ্রহণ মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগামী কয়েক কার্যদিবসে আরও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও শহীদ পরিবারের সদস্য ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেবেন বলে জানা গেছে।
এ মামলার সাক্ষ্য ও প্রমাণ আদালতে কিভাবে প্রভাব ফেলবে বলে আপনি মনে করেন?
