নিরাপত্তাহীন সমাজে সংস্কার মূল্যহীন— মন্তব্য বিরোধী নেতার
মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনো সংস্কারই টিকবে না— এমনটাই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিরোধী জোটের প্রধান মহাসচিব। তাঁর ভাষায়, ‘গুম কমিশনের কার্যক্রম আশানুরূপ অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি আমরা দিচ্ছি।’
রাজধানীর বনানীতে এক স্মরণীয় অনুষ্ঠানে এই বক্তব্য দেন তিনি। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত “গণতান্ত্রিক পদযাত্রায়-শিশু” শীর্ষক পথযাত্রা ও শহীদ পরিবার সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমরা সংস্কার চাই— তবে সেই সংস্কার যদি মানুষের সার্বিক উন্নয়ন না ঘটায়, শিশুদের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত না করে, তাহলে সেই সংস্কার কোনো কাজে আসবে না।’
নিখোঁজ ও গুম হওয়া মানুষদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যেসব শিশু তাদের বাবাকে হারিয়েছে, মায়েরা সন্তান হারিয়েছেন— তাদের যন্ত্রণা কেউ অনুভব করে না। যদিও কমিশন গঠন হয়েছে, তারা রিপোর্টও দিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে নিখোঁজদের খোঁজে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই।’
তিনি আরও আশ্বাস দেন, ‘আগামী নির্বাচনে যদি আমরা সুযোগ পাই, তাহলে গুম হওয়া পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: উল্লেখযোগ্য যে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনেও বাংলাদেশে গুমের ইস্যু দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। কিছু কিছু মামলায় অনুসন্ধান স্থবির হয়ে আছে বলে জানিয়েছে একাধিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা।
আপনার ভাবনা? গুম-নিখোঁজ ইস্যুতে রাষ্ট্রের আরও সক্রিয় হওয়া কি জরুরি? সংস্কারের নামে নিরাপত্তা উপেক্ষা করা কি আদৌ গ্রহণযোগ্য? আপনার মতামত আমাদের জানাতে ভুলবেন না।
