সুষ্ঠু নির্বাচনই গণতন্ত্রের একমাত্র পথ: বিএনপি নেতার মন্তব্য
রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এক বক্তা বলেছেন, “গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো সুষ্ঠু নির্বাচন।”
তাঁর ভাষায়, “পিআর পদ্ধতিতে ভোট হবে নাকি আনুপাতিক হারে আসন বণ্টন হবে—এর জন্য কেউ জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে জীবন দেয়নি। তারা চেয়েছে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। আর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো নির্বাচন।”
তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতার মোহে থাকা অনেকে এখন ঘুরিয়ে-প্যাঁচিয়ে কথা বলছেন। তাঁর মতে, সহজ সমাধান হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমেই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। জনগণ স্থানীয়ভাবে এমন নেতাকেই বেছে নিতে চান, যাকে তারা ব্যক্তিগতভাবে চেনেন ও পাশে পান। কিন্তু শুধু প্রতীক দেখে এই সংযোগ তৈরি সম্ভব নয়।
তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, “পিআর পদ্ধতিতে দেখা যাবে, ভোলার সংসদ সদস্যের বাড়ি কুড়িগ্রামে।”
আন্দোলন ও সংগ্রামের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দীর্ঘদিনের সংগ্রামের পর স্বৈরাচারকে পরাজিত করেছি, কিন্তু বিপ্লবের পর অনেক সময় প্রকৃত অবদানকারীরা মূল্যায়িত হন না। অনেকেই হঠাৎ এসে সব কৃতিত্ব নিয়ে নেন।”
মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল প্রায় ৮১ হাজার, আর এখন তা বেড়ে আড়াই লাখ। এর কৃতিত্ব আওয়ামী লীগের—তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, আত্মীয়-স্বজনসহ অনেকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছে।”
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশে নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোটের স্বচ্ছতা ও আস্থা ফিরিয়ে আনতে যেকোনো প্রক্রিয়াতেই জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও বিশ্বাস নিশ্চিত করা জরুরি।
প্রশ্ন রইল—আপনার মতে, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কী ধরনের ব্যবস্থাই বা সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে?
