ইরানের কোন স্থাপনায় পরবর্তী হামলা, প্রকাশ করলেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছেন। সম্প্রতি ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে মার্কিন হামলার পর তিনি ইঙ্গিত দেন, পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র।
ট্রাম্পের বক্তব্য
- “ইরানে যা কিছু অবশিষ্ট আছে, তা ধ্বংস করা এখনো শুরুই করিনি। পরের লক্ষ্য সেতু, এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্র।”
- ইরানের নেতৃত্ব “জানে কী করতে হবে এবং দ্রুত করতে হবে।”
- ওয়াশিংটনের শর্ত মেনে না নিলে যুদ্ধ আরও তীব্র হতে পারে, এবং ইরানের জ্বালানি ও তেল অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্য হতে পারে।
- আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহে অত্যন্ত কঠোরভাবে আঘাত হানার পরিকল্পনা।
আইনি উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, ইরানে মার্কিন হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে। জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী, যুদ্ধে বেসামরিক জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা নিষিদ্ধ। সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও বেসামরিক স্থাপনার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রাখতে হবে।
পূর্বঘটনা
- ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথ হামলা চালিয়ে যুদ্ধে সূচনা করে।
- ইরান পাল্টা হামলা চালায় ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে।
- পরবর্তীতে এই সংঘাতে হাজারো মানুষ নিহত এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
প্রভাব
এই সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি অস্থির হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান।
