মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক মার্কিন সেনা উপস্থিতি, স্থল অভিযানের পথে হাঁটছেন ট্রাম্প?

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা বৃদ্ধি

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ছে

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ অবসানে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও সমান্তরালভাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনার উপস্থিতি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য হলো, যদি তেহরানের সাথে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হয়, তবে সামরিক শক্তির মাধ্যমে এক চূড়ান্ত আঘাত হানা।

এরই মধ্যে এশিয়া থেকে কয়েক হাজার মার্কিন মেরিন সেনা উভচর জাহাজে করে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এছাড়া ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় ২,০০০ প্যারাট্রুপারকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যারা মাত্র ১৮ ঘণ্টার নোটিশে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে আকাশপথে অবতরণ করে শত্রুঘাঁটি বা বিমানবন্দর দখল করতে সক্ষম।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার (২৭ মার্চ) আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে কোনো বড় ধরনের স্থল যুদ্ধ ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, আগামী সপ্তাহে মেরিন সেনারা তাদের অবস্থানে পৌঁছে গেলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে স্থল অভিযানের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদিও ভারী সাঁজোয়া ইউনিটের অভাব এবং দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার কারণে সংঘাত দীর্ঘ সময় ধরে চালিয়ে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কঠিন হতে পারে। এমন পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও এক বিধ্বংসী অচলাবস্থা তৈরি করতে পারে।

খারগ দ্বীপ: সামরিক পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য

মার্কিন সামরিক পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের খারগ দ্বীপ। এই দ্বীপ দিয়েই দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে রপ্তানি হয়।

এই দ্বীপটি দখল বা ধ্বংস করা গেলে তেহরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আশির দশক থেকেই এই দ্বীপে হামলার কথা বলে আসছেন। তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে। কারণ ড্রোন ও রকেট হামলার মুখে উভচর অবতরণ মার্কিন সেনাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা বৃদ্ধি

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ছে

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ অবসানে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও সমান্তরালভাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনার উপস্থিতি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য হলো, যদি তেহরানের সাথে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হয়, তবে সামরিক শক্তির মাধ্যমে এক চূড়ান্ত আঘাত হানা।

এরই মধ্যে এশিয়া থেকে কয়েক হাজার মার্কিন মেরিন সেনা উভচর জাহাজে করে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এছাড়া ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় ২,০০০ প্যারাট্রুপারকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যারা মাত্র ১৮ ঘণ্টার নোটিশে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে আকাশপথে অবতরণ করে শত্রুঘাঁটি বা বিমানবন্দর দখল করতে সক্ষম।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার (২৭ মার্চ) আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে কোনো বড় ধরনের স্থল যুদ্ধ ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, আগামী সপ্তাহে মেরিন সেনারা তাদের অবস্থানে পৌঁছে গেলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে স্থল অভিযানের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদিও ভারী সাঁজোয়া ইউনিটের অভাব এবং দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার কারণে সংঘাত দীর্ঘ সময় ধরে চালিয়ে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কঠিন হতে পারে। এমন পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও এক বিধ্বংসী অচলাবস্থা তৈরি করতে পারে।

খারগ দ্বীপ: সামরিক পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য

মার্কিন সামরিক পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের খারগ দ্বীপ। এই দ্বীপ দিয়েই দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে রপ্তানি হয়।

এই দ্বীপটি দখল বা ধ্বংস করা গেলে তেহরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আশির দশক থেকেই এই দ্বীপে হামলার কথা বলে আসছেন। তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে। কারণ ড্রোন ও রকেট হামলার মুখে উভচর অবতরণ মার্কিন সেনাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

Next News Previous News