দেশগুলো তাদের ‘রিজার্ভ’ করে রাখা তেল ছেড়ে দিতে পারে, এর অর্থ কী?
ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার নির্বাচিত মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন প্রবীণ পার্লামেন্টারিয়ান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিরোধী দল জামায়াত ডেপুটি স্পিকার পদ গ্রহণ করেনি।
ইরান যুদ্ধ ও তেলের বাজার
জি-৭ ভুক্ত দেশগুলো জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক তেলের বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকায় তারা স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ বা কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার বিষয়টিকে সমর্থন করে।
বিশ্বব্যাপী তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হলে তা মোকাবিলার জন্য ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (IEA) এর সদস্য দেশগুলোকে অন্তত ৯০ দিনের তেল মজুত করে রাখতে হয়।
তেলের কৌশলগত মজুত কোথায় থাকে?
এই তেল কোনো একক ভৌগোলিক স্থানে রাখা হয় না। বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব শোধনাগার, টার্মিনাল বা তেল কোম্পানির সংরক্ষণাগারে মজুত রাখে।
উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাজ্যে শেল ও বিপি-র মতো উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন টার্মিনাল ও শোধনাগারে এই তেল সংরক্ষণ করে।
মজুত তেল ছাড়লে কী হয়?
- বাজারে তেলের সহজলভ্যতা কিছুটা বাড়ে।
- দামের হঠাৎ বড় উল্লম্ফন ঠেকানো সম্ভব হতে পারে।
- তবে এতে হঠাৎ করে তেলের বন্যা নেমে আসে না।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা তেল ছাড়লেই যে পেট
