কুষ্টিয়ায় বিএনপির অভিযোগ বাক্সে জমা নতুন অভিযোগ
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে স্থাপিত বিএনপির অভিযোগ বাক্সে এ সপ্তাহে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু অভিযোগ। এর মধ্যে এক নেতার বিরুদ্ধে দখল ও চাঁদাবাজির চারটি অভিযোগই এখন আলোচনায়।
বুধবার দ্বিতীয়বারের মতো বাক্সটি খোলেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিবসহ প্রেসক্লাবের কর্মকর্তারা। মোট ছয়টি অভিযোগের মধ্যে চারটি এসেছে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির এক সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের মধ্যে সংখ্যালঘুরাও রয়েছেন। এছাড়া একজন সাংবাদিক এবং কুষ্টিয়ার সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে—যা মূলত উৎকোচ গ্রহণ ও লাইসেন্স নবায়নে অনিয়মের সঙ্গে সম্পর্কিত।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বাক্স থাকলে অভিযোগ পড়তেই পারে। এগুলো যাচাইবাছাই করে দেখা হোক। আমি এ ধরনের কোনো কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই।”
একইভাবে সরকারি ওই কর্মকর্তা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, “আমরা অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। তারা চক্রান্ত করে অভিযোগ দিতে পারেন। এসবের কোনো সত্যতা নেই।”
এর আগে গত জুলাই মাসে প্রথমবার বাক্সটি খোলা হলে বড়বাজার ট্রাক শ্রমিক অফিস থেকে চাঁদা আদায়, লালন অ্যাকাডেমির কার্যক্রমে অনিয়ম, মাঠে হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি এবং স্থানীয় এলাকায় চাঁদাবাজির মতো অভিযোগ উঠে এসেছিল। তখন কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে পদক্ষেপও নেওয়া হয়, যেমন মিলপাড়ায় দখল হয়ে থাকা ক্লাবঘর মুক্ত করে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর।
গত ২১ জুলাই কুষ্টিয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের অনিয়ম, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজির অভিযোগ জানাতে জেলা বিএনপি এই বাক্স স্থাপন করে। প্রেসক্লাব ছাড়াও শহরের আরও কয়েকটি স্থানে এ ধরনের বাক্স বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশ্ন রইল—এই অভিযোগগুলো কতটা যাচাই হয়ে কার্যকর পদক্ষেপে রূপ নেবে, নাকি থেকে যাবে শুধুই কাগজে-কলমে?
