বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক: অতীতের মনোমালিন্য ভুলে নতুন সম্পর্কের পথে

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, "বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৭১ সালের অমীমাংসিত ইস্যু দুইবার সমাধান হয়ে গেছে। ১৯৭৪ সালে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি ও ২০০২ সালে পারভেজ মোশাররফের সফরে দুঃখ প্রকাশের মাধ্যমে তা সমাধান হয়।"

দু'দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের সংকল্পে শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই সফরে পাকিস্তানের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ দেড় দশকের পর বাংলাদেশে আসেন ইসহাক দার। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "একটি পরিবারের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিতেই পারে। তবে ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী হৃদয় পরিষ্কার করে ভাইয়ে ভাইয়ে বিভেদ ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়া উচিত।"

দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে ১টি চুক্তি এবং ৪টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। প্রধান সাফল্য হিসেবে উল্লেখযোগ্য হলো সরকারি ও কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের ভিসা বিলোপ চুক্তি।

এছাড়াও সই হওয়া এমওইউগুলো হলো:

  • দুই দেশের বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন।
  • দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমির মধ্যে সহযোগিতা।
  • রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস ও এপিপিসির মধ্যে সহযোগিতা।
  • বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) ও পাকিস্তানের ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ ইসলামাবাদ (আইএসএসআই) এর মধ্যে সহযোগিতা।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায় কি দুই দেশের মধ্যে আরও দৃঢ় সহযোগিতার সূচনা করবে? দর্শকদের মতামত জানানো গুরুত্বপূর্ণ।

Next News Previous News