পিআর পদ্ধতি নিয়ে আশঙ্কা, স্থিতিশীলতার গুরুত্বে জোর

পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি নিয়ে যারা জোর দিচ্ছেন, তারা মূলত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভরসা হারিয়ে আশঙ্কা বোধ করছেন—এমন মন্তব্য এসেছে বিরোধী রাজনৈতিক শিবির থেকে।

তাঁর ভাষায়, “যারা পিআর পদ্ধতি চায়, তাদের নির্বাচনে ভয় পাওয়ার বাস্তব কারণ আছে। অনেক ইসলামী দল আছে, যারা কখনো সংসদে নির্বাচিত হতে পারেনি। এর মধ্যে অন্যতম ইসলামী আন্দোলন, যারা অতীতে ক্ষমতাসীন দলের কাছাকাছি ছিল, কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনায় তাদের অবস্থান পাল্টেছে।”

তিনি উল্লেখ করেন, পিআর পদ্ধতি চালুর জন্য সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। এই পদ্ধতি গ্রহণ করা দেশগুলোর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “বিশ্বে যেখানে পিআর পদ্ধতি চালু হয়েছে, সেখানে বারবার সরকার পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে। নেপাল এর বড় উদাহরণ—তিন বছরের মধ্যে অন্তত ১০ বার সরকার বদল হয়েছে। একটি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার জন্য সরকারের স্থিতিশীলতা জরুরি, যা পিআর পদ্ধতিতে নিশ্চিত হয় না।”

আসন্ন নির্বাচনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখন দেশে সরকারি দল নেই। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও যদি কোন দল নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, তাহলে এটি তাদের ব্যর্থতা। দাবি থাকতেই পারে, কিন্তু তা জনগণের কাছে উপস্থাপন করেই সমর্থন আদায় করতে হবে। নিজের দাবি প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যের ক্ষতি করা উচিত নয়।”

এ সময় জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন এবং স্থানীয় রাজনীতিতে পিআর পদ্ধতি নিয়ে আলোচনার ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে।


প্রশ্ন রইল: দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষা করে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে কোন পদ্ধতিই বা সবচেয়ে উপযুক্ত হতে পারে?

Next News Previous News