প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন নিয়ে বক্তব্য: এনসিপি নেতাদের ক্ষমা চাওয়ার আল্টিমেটাম
প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের পক্ষে বক্তব্য দেয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে আল্টিমেটাম দিয়েছে কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক (অস্থায়ী) সাব্বির আহমেদের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই অবস্থান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনসিপি নেতা সারজিস আলম একাত্মতা প্রকাশ করতে গিয়ে ‘কোটা’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। অপরদিকে হাসনাত আব্দুল্লাহ “প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন”-এর দাবিকে ন্যায়সংগত বলে উল্লেখ করেছেন। সংগঠনটির ভাষায়, “আমরা এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।”
তারা আরও জানায়, উপসহকারী প্রকৌশলীর দশম গ্রেড কোনো ‘কোটা’ নয়, বরং এটি একটি বিশেষায়িত পদ। এখানে প্রবেশের জন্য একমাত্র যোগ্যতা হলো ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি, যা ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ ও ১৯৯৪ সালের প্রধানমন্ত্রীর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত।
আল্টিমেটামে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিক শিক্ষার্থী, টিএসসি শিক্ষার্থী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা তাদের পরিবারসহ সম্পূর্ণভাবে এনসিপিকে বর্জন করবে।
সর্বশেষ পরিস্থিতি
শিক্ষা ও প্রকৌশল খাতে চলমান আন্দোলনকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়াও তীব্র হয়ে উঠেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সংকট সমাধানে দ্রুত সংলাপ ও স্পষ্ট ব্যাখ্যা জরুরি হয়ে পড়েছে।
আপনার কী মনে হয়—শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদের এই বিরোধ সমাধান কি আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব? নাকি আন্দোলন আরও তীব্র হতে পারে?
