চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও সামরিক উন্নয়ন
চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান। সফরকালে তিনি পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২২ আগস্ট তিনি পিএলএর সদর দপ্তরে পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি পিএলএর স্থল বাহিনীর পলিটিক্যাল কমিসার জেনারেল চেন হুইর সঙ্গে বৈঠক করেন।
সাক্ষাৎকালে আলোচনার মূল বিষয়গুলো ছিল—দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা।
এছাড়া বাংলাদেশের সামরিক শিল্পের উন্নয়নে চীনের সহায়তা প্রদানের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পরের দিন তিনি চীনের নরিনকো গ্রুপের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, বিশেষ করে নরিনকো গ্রুপের সরঞ্জামাদির আপগ্রেডেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়।
সফরকালে সেনাপ্রধান পিএলএর অ্যাকাডেমি অব আর্মার্ড ফোর্সের বেইজিং ক্যাম্পাস, আধুনিক সামরিক সরঞ্জামাদির গবেষণাগার এবং বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন করেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই অ্যাকাডেমিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারাও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকেন।
তিনি বেইজিং ও শিয়াংয়ে অবস্থিত নরিনকো গ্রুপের গবেষণা কেন্দ্র, চায়না অ্যারোস্পেস লং-মার্চ ইন্টারন্যাশনাল কো লিমিটেড এবং আইসাং ইউএভি ফ্যাক্টরিসহ অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনকারী বিভিন্ন স্থাপনাও ঘুরে দেখেন।
সাম্প্রতিক আপডেট
কূটনৈতিক সূত্র মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর এ ধরনের সফর ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা খাতের প্রযুক্তি বিনিময় ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রশ্ন রইল: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়নে এ ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
