ব্যাংকিং খাতে দুর্নীতির মামলায় কারাগারেই গ্রেপ্তার দেখানো হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে
ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের হওয়া পৃথক চার মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্য উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার তাকে কারাগার থেকে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইব্রাহিম মিয়ার আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আদালতে আবেদন করলে বিচারক তাকে এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন এবং পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুদকের করা মামলাগুলোতে অভিযোগ রয়েছে—ভুয়া কোম্পানির নামে প্রায় ১,৪০০ কোটির বেশি ব্যাংক ঋণ গ্রহণ, ৩৪ কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ এবং একাধিক মানিলন্ডারিং কার্যক্রমে জড়িত থাকার বিষয়ে। বিশেষভাবে ৪৯৬ কোটি টাকার অবৈধ ঋণ, ৭৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বিদেশে পাচার এবং নামমাত্র কোম্পানির নামে শত শত কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, গত বছরের আগস্টে রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় নৌপথে দেশত্যাগের চেষ্টা করার সময় তাকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সে সময় সাবেক আইনমন্ত্রীকেও একই অভিযানে আটক করা হয়।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুদক ইতোমধ্যেই সালমান এফ রহমান ও তার পরিবারের ৩৫৮টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ
এখন প্রশ্ন উঠছে—অভিযোগের জটিলতা ও আর্থিক কেলেঙ্কারির এই মামলাগুলোর বিচার কি দ্রুত সম্পন্ন হবে, নাকি দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার ভিড়ে মিলিয়ে যাবে? এ বিষয়ে আপনার মত কী?
