“ক্ষমতা জনতার হাতে, নির্বাচন ঠেকানো যাবে না”
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কৃষি মার্কেট পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন—“ক্ষমতা জনতার হাতে, জনগণ যদি নির্বাচনমুখী হয় তাহলে নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না।”
তিনি স্বীকার করেন, মোহাম্মদপুর ও মিরপুর এলাকায় চাঁদাবাজি তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে। তাঁর ভাষায়, “চাঁদাবাজ যেই হোক তাকে ছাড়া দেয়া হবে না।”
এ সময় তিনি আরও স্পষ্ট করে জানান যে, প্রধান উপদেষ্টা যে তারিখ ঘোষণা করেছেন সেই তারিখেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর ভাষায়, “স্যারের কথার উপরে আমাদের কোনো কথা নেই।”
তবে একজন সাংবাদিক যখন তাঁকে প্রশ্ন করেন—একজন উপদেষ্টাকে ঘিরে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠছে, এ বিষয়ে তাঁর মন্তব্য কী—তখন তিনি কোনো উত্তর দিতে রাজি হননি।
সাম্প্রতিক আপডেট
রাজনৈতিক মহলে এখনো জোর আলোচনা চলছে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা নিয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনের আগে চাঁদাবাজি দমন এবং নিরাপত্তা জোরদার করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রশ্ন রইল: জনতার হাতে ক্ষমতার বিষয়টি যখন এত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, তখন সাধারণ মানুষ কি সত্যিই ভোট দিতে গিয়ে নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারবেন?
