সাবেক এমপির দুই ছেলেসহ ৪ আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার

টেকনাফে শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী পালনের পর সাঁড়াশি অভিযান, গ্রেপ্তার চার নেতা

কক্সবাজারের টেকনাফে শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালনের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ১৫ আগস্ট স্থানীয়ভাবে আয়োজন করা হয় দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরণের। এর পরপরই রাতেই পুলিশ চালায় সাঁড়াশি অভিযান।

অভিযানে গ্রেপ্তার হন চারজন আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর দুই ছেলে—টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মুর্শেদ ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য তারেক মাহমুদ রনি। এছাড়া টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক জাবেদ ইকবাল চৌধুরী এবং স্থানীয় নেতা শফিকুর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

ঘটনাস্থল ছিল টেকনাফ সদর ইউনিয়নের গোদারবিল এলাকার আনাস বিন মালেক জামে মসজিদ। সেখানে আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল বশর, সহ-সভাপতি হোছাইন আহমদসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে টেকনাফ থানার ওসি গিয়াস উদ্দিন বলেন, “আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। হঠাৎ করেই তারা ব্যানার টাঙিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করে। খবর পেয়ে পুলিশ ও র‍্যাব ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অনেকেই পালিয়ে যায়।”

সর্বশেষ আপডেট: স্থানীয় সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারদের আদালতে তোলা হতে পারে দ্রুতই। এদিকে এলাকাজুড়ে এখনো টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

প্রশ্ন হচ্ছে—দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও এমন আয়োজন কেন এবং কিভাবে হলো? আপনার মতে, রাজনৈতিক কর্মসূচি ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত?

Next News Previous News