পিআর পদ্ধতিতেই আগামী নির্বাচন হতে হবে: রেজাউল করীম
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোর দিয়ে বলেছে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে হতে হবে। দলের আমির ও চরমোনাই পীর জানিয়েছেন, জুলাই আন্দোলনে তরুণদের আত্মত্যাগের সম্মান রক্ষায় এই দাবি এখন সময়ের দাবি।
দলের এক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন— “জনগণ শুধু একটি সরকার পতনের জন্য নয়, বরং স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি রোধ করার জন্য আন্দোলন করেছে। অথচ বর্তমানে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ আবার সেই পুরোনো ছকে ফিরে যাচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রতিটি জেলায় গণসমাবেশ ও মিছিল হবে। ঢাকার প্রতিটি থানায়ও বিক্ষোভ কর্মসূচি থাকবে। পাশাপাশি পিআরের পক্ষে জনমত তৈরিতে প্রচার সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
তাঁর ভাষায়, “আমরা নির্বাচন চাই, কিন্তু এমন নির্বাচন চাই না যা স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটাবে। পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে জনগণের সত্যিকারের মতামত প্রতিফলিত হবে।”
ইসলামী আন্দোলন জানিয়েছে, এই দাবি মানা না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে অগ্রসর হবে। একইসঙ্গে সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছে সংসদে পিআর পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা এবং গণভোটের ব্যবস্থা করার জন্য।
সর্বশেষ জানা গেছে, দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ের নেতারা এই দাবির পক্ষে সর্বাত্মক প্রচারণা চালাবেন।
প্রশ্ন হচ্ছে—বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কাঠামোকে নতুনভাবে সাজাতে পিআর পদ্ধতির প্রবর্তন কতটা বাস্তবসম্মত? আর জনগণ কি সত্যিই এই পরিবর্তনের পক্ষে?
