পল্টনে জামায়াতের সমাবেশ: “ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসনের সুযোগ নেই”
ঢাকা: “ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এ দেশ আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে। সেই পতিত ফ্যাসিবাদকে আর এদেশে পুনর্বাসনের সুযোগ দেয়া হবে না”—রাজধানীর পল্টনে আয়োজিত এক সমাবেশে এমনটাই জানালেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে পল্টন মোড়ে এ সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত। সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। বক্তব্য রাখেন মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির, অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান, দেলাওয়ার হোসেন, কামাল হোসাইন প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দের ভাষায়, “গণহত্যায় জড়িতদের বিচার সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে পিআর পদ্ধতিতে সুষ্ঠু একটি নির্বাচন দিতে হবে।”
তাঁরা আরও বলেন—“জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আগামীতে ক্ষমতায় গেলে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকে একটি ইনসাফ ও কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবে ইনশাআল্লাহ।”
সমাবেশ শেষে একটি বিশাল মিছিল পল্টন মোড় থেকে শুরু হয়ে শাহবাগে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে দলের শত শত নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় খুনিদের বিচারের দাবি এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেন তারা।
সম্প্রতিক আপডেট: জুলাই ঘোষণাপত্র সংক্রান্ত একটি আয়োজনে জামায়াতকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে ‘গোপন বৈঠকের’ গুঞ্জন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক চললেও এনসিপি নেতারা তা অস্বীকার করেছেন।
এই সমাবেশ কি রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে? আপনার মতামত জানান মন্তব্যে।
