সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জে ফেরত আসছে লুণ্ঠিত সাদা পাথর। জেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান ও আল্টিমেটামের পর দায়মুক্তির আশায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা নিজ খরচে এসব পাথর জমা দিচ্ছেন প্রশাসনের কাছে। আজ সকাল পর্যন্ত কয়েক লাখ ঘনফুট পাথর জমা পড়েছে ভোলাগঞ্জে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, শনিবার বিকেল থেকে রোববার রাত পর্যন্ত ট্রাক ও নৌকায় করে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা স্বেচ্ছায় এসব পাথর পরিবহন করে এনেছেন। তাঁর ভাষায়, “আমরা এই পাথরগুলো এখনও পরিমাপ করিনি। তবে প্রচুর পাথর এসে জমা পড়েছে। আমাদের দেওয়া আল্টিমেটাম আগামীকাল বিকেল ৫টায় শেষ হবে। এরপর আমরা কঠোর অবস্থানে নামব।”

এর আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়। প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে নিজ খরচে পাথর ফেরত দিলে দায়মুক্তি দেওয়া হবে। তবে সময় শেষে কারও কাছে পাথর পাওয়া গেলে কেবল ব্যক্তিদের নয়, সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে কোম্পানীগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় মাইকিং করে এ বিষয়ে প্রচার চালানো হয়েছে। ফলে প্রশাসনের চাপেই অনেকেই পাথর ফেরত দিতে শুরু করেছেন।

অন্যদিকে, ফেরত আসা পাথরের পাশাপাশি যৌথ বাহিনীর অভিযানে রোববার আরও প্রায় ৬০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে ধোপাগুল এলাকা থেকে প্রায় ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর ট্রাকে ভরে ভোলাগঞ্জে পাঠানো হয়।

প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে—প্রশাসনের এই কঠোর উদ্যোগে কি অবৈধ পাথর উত্তোলনের প্রবণতা কমবে, নাকি আবারও পুরনো চক্র সক্রিয় হয়ে উঠবে?

Next News Previous News