রোহিঙ্গা সংকট: আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস কক্সবাজারে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূলের ভয়াবহ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন থেকে সশস্ত্র ঘাতকদের থামানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
তাঁর ভাষায়, “২০১৭ সালে মানবিক কারণে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিল। এখন তাদের বাঁচাতে বৈশ্বিক পদক্ষেপ জরুরি।”
সম্মেলনে তিনি আরও জানান, দেশ এখন স্থিতিশীল এবং আসন্ন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের সময় ঘোষণা করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মিয়ানমারের জান্তা ও আরাকান আর্মির নির্যাতন থেকে রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে সক্রিয় উদ্যোগ নিতে হবে। একইসঙ্গে তিনি জানান, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সাত দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও সম্প্রতি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নিশ্চিত করতে নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে। মিয়ানমারের চলমান অস্থিতিশীলতার কারণে এই সংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে সতর্ক করেছে একাধিক সংস্থা।
প্রশ্ন হচ্ছে—আন্তর্জাতিক চাপ কি মিয়ানমারকে কার্যকর সমাধানে বাধ্য করতে পারবে, নাকি রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হবে?
